মূল:নারীর হজ ও উমরাহ

ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া

সম্পাদনা: ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া

‘কিরান’ হজ আদায়কারী এবং ‘ইফরাদ’ হজ আদায়কারীর মধ্যে পার্থক্য:

কিরান হজ আদায়কারী হাজী সাহেবা উমরাহ এবং হজকে একসাথে আদায় করবেন। কিন্তু ইফরাদ হজ আদায়কারী শুধু হজ করবেন, হজের আগে কোনো উমরাহ আদায় করবেন না।

১- কিরান হজ আদায়কারীর কর্মকাণ্ড:

কিরান হজকারী নিম্নোক্ত পদ্ধতিতে হজ করবেন.

হজের মাওসুমে মীকাত থেকে ইহরাম বাঁধা।

ইহরামের সময় বলবে: “লাববাইকা উমরাতান ওয়া হাজ্জান” অর্থাৎ, আমি উমরাহ ও হজ আদায় করার জন্য হাযির হয়েছি, হাযির হয়েছি।

তাওয়াফে কুদূম বা আগমনি তাওয়াফ: মক্কা পৌঁছে হাজারে আসওয়াদ থেকে শুরু করে সাতবার বাইতুল্লাহ্র তাওয়াফ করা।

সম্ভব হলে মাকামে ইবরাহীম ও কা‘বাকে সামনে নিয়ে নতুবা মসজিদে হারামের অন্যত্র দু’রাকাত সালাত পড়া।

সাফা ও মারওয়া পাহাড় দ্বয়ের মাঝখানে সা‘ঈ করা। তবে সাফা থেকে সা‘ঈ শুরু করতে হবে।

তাওয়াফ এবং সা‘ঈ শেষ হওয়ার পরে ইহরাম অবস্থাতেই থাকবেন। হালাল হতে পারবেন না।

তারপর ৮ ই জিলহজ হতে নিম্নোক্ত ছক অনুসরণ করুন:

IMG 20210711 024151 ইফরাদ’ অথবা ‘কিরান’ হজ আদায়কারী হাজী সাহেবাদের কর্মকাণ্ডের সংক্ষিপ্ত রূপ
IMG 20210711 024307 ইফরাদ’ অথবা ‘কিরান’ হজ আদায়কারী হাজী সাহেবাদের কর্মকাণ্ডের সংক্ষিপ্ত রূপ
IMG 20210711 024346 ইফরাদ’ অথবা ‘কিরান’ হজ আদায়কারী হাজী সাহেবাদের কর্মকাণ্ডের সংক্ষিপ্ত রূপ
IMG 20210711 024422 ইফরাদ’ অথবা ‘কিরান’ হজ আদায়কারী হাজী সাহেবাদের কর্মকাণ্ডের সংক্ষিপ্ত রূপ
IMG 20210711 024527 ইফরাদ’ অথবা ‘কিরান’ হজ আদায়কারী হাজী সাহেবাদের কর্মকাণ্ডের সংক্ষিপ্ত রূপ
IMG 20210711 024559 ইফরাদ’ অথবা ‘কিরান’ হজ আদায়কারী হাজী সাহেবাদের কর্মকাণ্ডের সংক্ষিপ্ত রূপ
IMG 20210711 024754 ইফরাদ’ অথবা ‘কিরান’ হজ আদায়কারী হাজী সাহেবাদের কর্মকাণ্ডের সংক্ষিপ্ত রূপ

২- ইফরাদ হজ আদায়কারীর কর্মকাণ্ড:

ইফরাদ হজকারী নিম্নোক্ত পদ্ধতিতে হজ করবেন:

হজের মাওসুমে মীকাত থেকে ইহরাম বাঁধা।

ইহরামের সময় বলবে: “লাববাইকা হাজ্জান” অর্থাৎ আমি হজ আদায় করার জন্য হাযির হয়েছি, হাযির হয়েছি।

তাওয়াফে কুদুম বা আগমনি তাওয়াফ: মক্কা পৌঁছে হাজারে আসওয়াদ থেকে শুরু করে সাতবার বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করা।

সম্ভব হলে মাকামে ইবরাহীম ও কা‘বাকে সামনে নিয়ে নতুবা মসজিদে হারামের অন্যত্র দু’রাকাত সালাত পড়া।

ইচ্ছা হলে সাফা ও মারওয়া পাহাড় দ্বয়ের মাঝখানে সা‘ঈ করা। তবে সাফা থেকে সা‘ঈ শুরু করতে হবে। এ সা‘ঈটি হজের তাওয়াফের অগ্রিম সা‘ঈ হিসেবে বিবেচিত হবে। আর যদি না করা হয়, পরবর্তীতে হজের তাওয়াফের পরে তা আদায় করতে হবে।

তাওয়াফ এবং সা‘ঈ শেষ হওয়ার পরে ইহরাম অবস্থাতেই থাকবেন। হালাল হতে পারবেন না।

তারপর ৮ই যিলহজ থেকে নিম্নোক্ত ছক অনুসারে পালন করুন:

IMG 20210711 025325 ইফরাদ’ অথবা ‘কিরান’ হজ আদায়কারী হাজী সাহেবাদের কর্মকাণ্ডের সংক্ষিপ্ত রূপ
IMG 20210711 025404 ইফরাদ’ অথবা ‘কিরান’ হজ আদায়কারী হাজী সাহেবাদের কর্মকাণ্ডের সংক্ষিপ্ত রূপ
IMG 20210711 025500 ইফরাদ’ অথবা ‘কিরান’ হজ আদায়কারী হাজী সাহেবাদের কর্মকাণ্ডের সংক্ষিপ্ত রূপ
IMG 20210711 025553 ইফরাদ’ অথবা ‘কিরান’ হজ আদায়কারী হাজী সাহেবাদের কর্মকাণ্ডের সংক্ষিপ্ত রূপ
IMG 20210711 025708 ইফরাদ’ অথবা ‘কিরান’ হজ আদায়কারী হাজী সাহেবাদের কর্মকাণ্ডের সংক্ষিপ্ত রূপ
IMG 20210711 025746 ইফরাদ’ অথবা ‘কিরান’ হজ আদায়কারী হাজী সাহেবাদের কর্মকাণ্ডের সংক্ষিপ্ত রূপ

তবে মহিলাগণ যদি মক্কা ত্যাগ করার সময় হায়েয ও নেফাস অবস্থায় থাকে, তাদের বিদায়ি তাওয়াফ করা লাগবে না।

আর এভাবেই ইফরাদ হজকারী হাজী সাহেবার হজের কাজ শেষ হয়ে যাবে।