মূল: অন্ধকার থেকে আলোতে। লেখক: মুহাম্মাদ মুশফিকুর রহমান মিনার। ওয়েব সম্পাদনা: আবু বক্কার ওয়াইস বিন আমর

একটি চাবি। একজন মহামানব— যিনি ক্ষমা করতেন, সবসময়ে আমানতকে তার হকদারের কাছে ফিরিয়ে দিতেন। একজন আলোকিত মানুষ; যিনি সেই মহামানবের থেকে পেয়েছিলেন আলোর দিশা ইসলাম-পূর্বকালেও কাবাঘরের খিদমত করাকে এক বিশেষ মর্যাদার কাজ মনে করা হতো। কাবার কোনো বিশেষ খিদমতের জন্য যারা নির্বাচিত হতো, তারা গোটা সমাজ তথা জাতির মধ্যে সম্মানিত ও বিশিষ্ট বলে পরিগণিত হতো। সে জন্যই বাইতুল্লাহর বিশেষ খিদমত বিভিন্ন লোকের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হতো। জাহেলিয়াতের আমল থেকেই হজের মৌসুমে হাজীদের ‘যমযম কূপের পানি পান করানোর সেবা রাসুল -এর চাচা আব্বাস (রা.) এর ওপর ন্যস্ত ছিল। একে বলা হত ‘সিকায়া’। একই ভাবে, কাবাঘরের চাবি নিজের কাছে রাখা এবং নির্ধারিত সময়ে তা খুলে দেওয়া ও বন্ধ করার ভার ছিল উসমান ইবন তালহার ওপর।উসমান ইবন তালহার নিজ জবানি থেকে “জাহিলিয়াতের আমলে আমরা সোমবার ও বৃহস্পতিবার দিন বাইতুল্লাহর দরজা খুলে দিতাম এবং এবং মানুষ তাতে প্রবেশ লাভের সৌভাগ্য অর্জন করত।”তিনি আরও বলেন, হিজরতের পূর্বে একবার রাসুলুল্লাহ ই কয়েকজন সাহাবীসহ বাইতুল্লাহর উদ্দেশ্যে গেলে তিনি তাঁকে ভেতরে প্রবেশ করতে বাধা দিলেন।
মহানবী অত্যন্ত ধৈর্য ও গাম্ভীর্য সহকারে উসমান ইবন তালহার কটুক্তিগুলো সহ্য করে নিলেন। এরপর বললেন, “হে উসমান, হয়তো তুমি একসময় এই বাইতুল্লাহর চাবি আমার হাতেই দেখতে পাবে। তখন যাকে ইচ্ছা এই চাবি অর্পণ। করবার অধিকার আমারই থাকবে।”
উসমান ইবন তালহা বললেন, “তা-ই যদি হয়, তাহলে কুরাইশরা সেদিন অপমানিত-অপদস্থ হয়ে পড়বে!”
রাসুল বললেন, “না, তা নয়। তখন কুরাইশরা হবে মুক্ত, তারা হবে যথার্থ সম্মানে সম্মানিত।”
উসমান ইবন তালহা বলেন, এরপর মক্কা বিজিত হয়ে গেলে রাসুল আমাকে ডেকে বাইতুল্লাহর চাবি চাইলেন। আমি তা পেশ করে দিলাম। তখন তিনি পুনরায় আমার হাতেই সেই চাবি ফিরিয়ে দিলেন! আর বললেন,
“এই নাও, এখন থেকে এ চাবি কিয়ামত পর্যন্ত তোমার বংশধরদের হাতেই থাকবে। অন্য যে কেউ তোমাদের হাত থেকে ফিরিয়ে নিতে চাইবে, সে হবে জালিম, অত্যাচারী।”[১৬]
এই ছিল মক্কা বিজয়ের পর রহমাতুল্লিল আলামিন মুহাম্মাদ ই-এর আচরণ। মক্কার সর্বময় ক্ষমতা তখন তাঁর হাতে। সেই কা’বার চাবির ওপরেও তখন তাঁর পূর্ণ ক্ষমতা, অথচ তিনি চাবিটিকে সেই ব্যক্তির কাছে ফিরিয়ে দিলেন যিনি একসময় তাঁকে কটুক্তি করেছিলেন, তাঁকে কাবাঘরে ঢুকতে দিতে চাননি। এই ছিল তাঁর আখলাক।।
আর উসমান ইবন তালহা? সে আলোর পরশ অগ্রাহ্য করা তাঁর পক্ষে সম্ভব হয়নি। ইসলাম গ্রহণ করে তিনি পরে একজন বিশিষ্ট সাহাবীতে পরিণত হয়েছিলেন। রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু; আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন।
চাবির এই ঘটনাটির সাথে জড়িয়ে আছে কুরআনের একটি আয়াত। নবী মুহাম্মাদ মুসলিম-অমুসলিম নির্বিশেষে সবার সাথে ন্যায়পরায়ণতার এই শিক্ষা পেয়েছিলেন তো স্বয়ং আল্লাহর ই কাছ থেকে। জীবন্ত ‘কুরআন’ নবী মুহাম্মাদ  আল্লাহর প্রতিটি আদেশ এভাবেই নিজের জীবন দ্বারা সবাইকে শিক্ষা দিয়ে গেছেন। আল্লাহুম্মা সল্লি আলা মুহাম্মাদ—তাঁর প্রতি আল্লাহর সলাত ও সালাম বর্ষিত হোক।
“নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের নির্দেশ দিচ্ছেন আমানত তার হকদার ফিরিয়ে দিতে। আর যখন তোমরা মানুষের মধ্যে বিচারকার্য পরিচালনা করবে, তখন ন্যায়পরায়ণতার সাথে বিচার করবে। আল্লাহ তোমাদের যে উপদেশ দেন, তা কতই-না উৎকৃষ্ট নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা।”[১৭]
ইবান আব্বাস (র.) এবং মুহাম্মাদ ইবন হানাফিয়া (র.) বলেন, আয়াতটি মুমিন ও মুশরিক উভয়ের জন্য।[১৮]
অর্থাৎ আয়াতে বর্ণিত আদেশ মুসলিম-অমুসলিম নির্বিশেষে সকলের জন্যই জন্যই হবে। সামুরা(রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ বলেছেন :
– তোমাদের সাথে বিশ্বস্ততা প্রদর্শন করে, তুমি তার গচ্ছিত রাখা দ্রব্য তাকে ফেরত দাও; আর যে তোমার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে, তুমি তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা কোরো না।”[১৯]
আনাস (রা.) বলেন, “এমন খুব কম হয়েছে যে, রাসুল সু কোনো ভাষণ দিয়েছেন অথচ তাতে এ কথা বলেননি—“যার মধ্যে আমানতদারি নেই তার মধ্যে ঈমান নেই। আর যার মধ্যে প্রতিশ্রুতি রক্ষার নিয়মানুবর্তিতা নেই, তার দ্বীন নেই।” [২০]
উবাদাহ বিন সামিত (রা.) হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ বলেছেন, তোমরা তোমাদের পক্ষ থেকে আমার জন্য ছয়টি বিষয়ের জামিন হও, আমি তোমাদের জন্য জান্নাতর জামিন হয়ে যাব; কথা বললে সত্য বলো, অঙ্গীকার করলে তা পালন করো, তোমাদের নিকটে কোনো আমানত রাখা হলে তা আদায় করো, তোমাদের যৌনাঙ্গের হিফাযত করো, তোমাদের চক্ষুকে অবনত রাখো (অবৈধ কিছু দেখা হতে), আর তোমাদের হাতকে সংযত রাথো (অন্যায় ও অত্যাচার করা হতে)।”[২১]
এমনই ছিল নবী মুহাম্মাদ -এর আদর্শ। আরবের মানুষের নিকট তাঁর পরিচয় ছিল ‘আল আমিন’ বা বিশ্বস্ত। চরম বিরোধীও তাঁর বিশ্বস্ততা নিয়ে কোনোদিন প্রশ্ন তুলতে পারত না। অথচ এই মানুষটির নামে কালিমা লেপন আর মিথ্যা অপবাদ দেবার জন্য আজ নাস্তিক-মুক্তমনা আর খ্রিষ্টান মিশনারিরা কত ভাবেই-না উঠেপড়ে লেগেছে। পশ্চিমা খ্রিষ্টান প্রচারক ডেভিড উড, স্যাম শামুন, জে স্মিথ কিংবা আমাদের দেশের মুক্তমনা ব্লগাররা কখনো ইনিয়ে-বিনিয়ে আবার কখনো চিৎকার করে এটাই বোঝাতে চান যে, মুহাম্মাদ কোনো নবী ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন প্রতারক [নাউযুবিল্লাহ]। তিনি জোর করে সবাইকে মুসলিম বানিয়েছেন, তিনি অমুসলিমদের সাথে জঘন্য আচরণ করতেন [নাউযুবিল্লাহ]। তিনি তাকিয়া করা (ধর্মের নামে মিথ্যা বলা), প্রতারণা করা এইসব শিখিয়েছেন [নাউযুবিল্লাহ]। সেই নবীর নামে তারা এগুলো বলে, যিনি সর্বদা সত্যবাদিতা ও আমানতদারিতার নির্দেশ দিতেন,[২২] এমনকি যিনি ছোট শিশুর সাথেও সান্ত্বনা দিয়ে মিথ্যা বলতে নিষেধ করতেন।[২৩] বিশেষ করে ইসলাম ও মুসলিমের ব্যাপারে ইসলামবিরোধিরা একটা কথা বারবার বলে—মুসলিমরা তাকিয়া করে বা ধর্মের নামে প্রতারণামূলক মিথ্যা বলে। এটা নাকি ইসলামের শিক্ষা! এন্টি ইসলামিক ফেসবুক পেইজ ব্লগগুলোতে গেলেই তারা মুসলিমদের বলে, “তোমরা তাকিয়া করো!” মজার ব্যাপার হচ্ছে, তাকিয়া নামের এই জিনিসটার কথা আমি কোনোকালে কোনো মুসলিম আলেমের মুখে শুনিনি;[২৪] এটা আমি প্রথম শুনেছি একটা বিদেশি নাস্তিক ফেসবুক পেইজের লোকজনের কাছে! ইসলামের নামে যা খুশি তা-ই আজ মানুষকে গেলানো হচ্ছে।
আমরা যদি কুরআন ও হাদিসের প্রতি দৃষ্টিপাত করি, নবী মুহাম্মাদ -এর সিরাত (জীবনী) অধ্যয়ন করি, তাহলে আমরা ওদের প্রচারিত তথ্যের ঠিক ১৮০ ডিগ্রি বিপরীত চিত্র দেখতে পাব। ২১ শতকের অজ্ঞ মুসলিম উম্মাহ আজ আর সিরাত অধ্যয়নের সময় পায় না, আলেম-উলামার কাছে গিয়ে দ্বীনের ব্যাপারে জানা ও পরামর্শ করার সময় বের করতে পারে না!! আর এর সযোগ নিয়ে আজ ইসলামবিদ্বেষীরা উম্মাহর মাথায় কাঁঠাল ভাঙছে। আর তাদের  উদ্দেশ্যপ্রোণিত আংশিক, অস্পষ্ট এবং মিথ্যা তথ্য ও রেফারেন্স দেখে অনেক মানুষ ঈমানহারা হচ্ছে। আল্লাহ মিথ্যার নিপাত করুন এবং এবং সকলকে সত্য জানবার তৌফিক দিন। যারা ইসলামের প্রতি বিদ্বেষ রাখেন ও মুহাম্মাদ -এর নবুয়তের প্রতি সন্দেহ পোষণ করেন, তাদের উদ্দেশ্যে কিছু চিন্তার খোরাক দিতে চাই : মুহমদ ঐ যদি স্রষ্টা থেকে প্রেরিত দূত নাই হয়ে থাকেন, তাহলে তিনি কী কর সেই মাক্কী জীবনেই এই ভবিষ্যদ্বাণী করলেন যে, একদিন তিনি কা’বার চাবির অধিকার লাভ করবেন? এবং কুরাইশরা সে সময়ে (মক্কা বিজয়ের পরে) কোনো করে লাঞ্ছিত হবে না এবং তারা যথাযথ সম্মানেই ভূষিত হবে? কীভাবে তিনি এত আগে মক্কা বিজয়ের পরবর্তী এই চিত্রগুলো বলে দিলেন? যখন তিনি এটা বলেছিলেন, তখন তো কুরাইশরা অনেক শক্তিশালী অবস্থায় ছিল। আর মুসলিমের সংখ্যা ছিল নিতান্তই অল্প।মুহাম্মাদ যদি স্রষ্টা থেকে প্রেরিত দূত নাই হয়ে থাকেন, তাহলে তিনি কী করে উসমান ইবন তালহা (রা.) কে এটা বললেন যে, “এই নাও, এখন থেকে এ চাবি কিয়ামত পর্যন্ত তোমার বংশধরদের হাতেই থাকবে।…” আজ পর্যন্ত মুহাম্মাদ -এর একটা ভবিষ্যদ্বাণী দেখান যেটা মিথ্যা হয়েছে। আপনাদের ‘বিজ্ঞানমনস্ক’(?) চেতনা এ ব্যাপারে কী বলে? [২৫]
আপনারা কি দেখেছেন, উসমান ইবন তালহার সাথে মুহাম্মাদ -এর সহিষ্ণু আচরণ? মক্কা বিজয়ের পরে কুরাইশদের সাথে তাঁর ক্ষমাশীল আচরণ? আপনারা কি দেখেছেন কীভাবে মক্কা বিজয়ের পরে সারা আরব ইসলামের ছায়াতলে এসেছে? আপনারা এত একচোখা কেন? আপনারা কেন আপনাদের ওয়েবসাইট কিংবা বইতে এই ঘটনাগুলো উল্লেখ করেন না? হাদিস, তাফসির ও সিরাতগ্রন্থ গুলোতে এমন অনেক ঘটনা আছে। কেন আপনারা মুহাম্মাদ -এর নামে আংশিক, অসত্য কিংবা অপব্যাখ্যামূলক তথ্য উপস্থাপন করেন?
“সুতরাং যদি তারা আল্লাহর সাথে সত্য বলত, তাহলে তাদের জন্য এটা মঙ্গলজনক হতো৷”[২৬]
“এবং তোমরা সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশ্রিত কোরো না এবং জেনেশুনে সত্য গোপন কোরো না।[২৭]
“সত্যবাদী পুরুষ ও সত্যবাদিনী নারী এদের জন্য আল্লাহ ক্ষমা ও মহাপ্রতিদান রেখেছেন।”[২৮] রিফারেন্স 
[১৬] তাবারানী ১১/১২০; কুরআনুল কারীম (বাংলা অনুবাদ ও সংক্ষিপ্ত তাফসির), ড.আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া, ১ম খণ্ড; সূরা নিসার ৫৮নং আয়াতের তাফসির, পৃষ্ঠা ৪৩৬-৪ ৩৭।
[১৭] আল কুরআন, নিসা ৪: ৫৮
[১৮] তাফসির ইবন কাসির (হুসাইন আল মাদানী প্রকাশনী), ২য় খণ্ড, সূরা নিসার ৫৮ নং আয়াতের তাফসির, পৃষ্ঠা ৩৯০
[১৯] মুসনাদ আহমাদ ৩/৪১৪; আবু দাউদ ৩/৮০৫; তিরমিযী ৪/৪১৯
[২০] মুসনাদ আহমাদ ৩/১৩৫
[২১] মুসনাদ আহমাদ ২২৭৫৭; তাবারানী, ইবন খুযাইমাহ; ইবন হিব্বান; হাকিম; সিলসিলাহ সহীহাহ ১৪৭০
[২২] ইবনু মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী বলেছেন, নিশ্চয়ই সত্য পুণ্যের পথ দেখায় এবং পুণ্য জান্নাতের দিকে নিয়ে যায়। একজন মানুষ (অবিরত) সত্য বলতে থাকে, শেষ পর্যন্ত আল্লাহর কাছে তাকে খুব সত্যবাদী বলে লেখা হয়। পক্ষান্তরে মিথ্যা পাপের পথ দেখায় এবং পাপ জাহান্নামের দিকে নিয়ে যায়। একজন মানুষ। (সর্বদা) মিথ্যা বলতে থাকে, শেষ অবধি আল্লাহর নিকট তাকে মহামিথ্যাবাদী বলে লিপিবদ্ধ করা হয়। [সহীহ বুখারী ৬০৯৪; সহীহ মুসলিম ২৬০৬, ২৬০৭; তিরমিযী ১৯৭১, আবু দাউদ ৪৯৮৯; ইবন মাজাহ ৪৬, মুসনাদ আহমাদ ৩৬৩১, ৩৭১৯, ৩৮৩৫; মুয়াত্তা মালিক ১৮৫৯; দারিমী ২৭১৫]
[২৩] আবদুল্লাহ ইবন আমির (র.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন আমার মা আমাকে ডাকেন, যখন রাসুলুল্লাহ ! আমাদের ঘরে অবস্থান করছিলেন। আমার মা আমাকে বলেন, তুমি এখানে এসো, আমি তোমাকে দেবো। তখন রাসুলুল্লাহ তাকে জিজ্ঞাসা করেন, তুমি তাকে কী দিতে চাচ্ছ ? তখন তিনি বলেন, আমি তাকে খেজুর দেবো। এ কথা শুনে রাসুলুল্লাহ বলেন, তুমি যদি তাকে কিছু না দিতে, তবে তোমার জন্য। একটা গুনাহ লেখা হতো । {কারণ, সেক্ষেত্রে কথাটি মিথ্যা হতো।} [সুনান আবু দাউদ, অধ্যায় ৪৩ (আদব ও শিষ্টাচার), হাদিস নং : ৪৯৯১]
[18] “What is taqiyyah (dissimulation) Is it used by Ahl as-Sunnah (Sunnis)” – islamQA (Shaykh Muhammad Saalih Al-Munajjid) https://islamqa.info/en/178975/
[২৫] নবী ই এ জিনিস বলার পর প্রায় দেড় হাজার বছর অতিক্রান্ত হয়েছে, কিন্তু আজ অবধি কা’বার চাবি উসমান ইবন তালহা(রা.) এর বংশের হাতেই ন্যস্ত আছে।।
“Sadin, Kaaba key keeper keeping tradition alive” (Arab News) http://www.arabnews.com/saudi-arabia/sadin-kaaba-key-keeper-keeping-tradition-alive
“Guardianship of the Kaaba: A history of a profession inherited by one family” (al-Arabiya English)http://english.alarabiya.net/en/features/2017/06/29/Discover-a-profession-inherited-by-afamily-until-the-end-of-times.html
“Mourning a Great Servant of the Ka’aba_Sheikh Abdul Aziz Al-Sheibi, The keeper of the key to its door Center for Islamic Pluralism” http://www.islamicpluralism.org/1670/mourning-a-great-servant-of-the-kaaba
“The keepers of the Kaaba key” (MSN News) https://www.msn.com/en-ae/news/middleeast/the-keepers-of-the-kaaba-key/arAArtS6u?li=BBqrVLO.
[২৬] আল কুরআন, মুহাম্মাদ ৪৭ : ২১
[২৭] আল কুরআন, বাকারাহ ২ : ৪২
[২৮] আল কুরআন, আহ্যাব ৩৩ : ৩৫

অন্ধকার থেকে আলোতে – বইটির সকল লেখনী পড়তে নিন্মের লিঙ্ক সমূহে ভিজিট করুনঃ

ব্লগ সাইটটি যদি আপনার মনের কোথাও একটুও যায়গা করে নেয় বা ভালো লেগে থাকে। তাহলে আপনিও ব্লগের কার্যক্রম কে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে আপনার লেখণী পাঠাতে পারেন।আপনার লেখনী পাঠিয়ে আমাদের ফেচবুক পেজের ম্যাসেঞ্জারে গিয়ে দয়াকরে নক করুন।
নিচে মন্তব্যের ঘরে আপনাদের মতামত জানান। ভালো লাগবে আপনাদের অভিপ্রায়গুলো জানতে পারলে। আর লেখা সম্পর্কিত কোন জিজ্ঞাসার উত্তর পেতে অবশ্যই “ওয়ার্ডপ্রেস থেকে কমেন্ট করুন”।

আপনার মন্তব্য লিখুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য লিখুন !
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন