মূল:ইসলামের রুকনসমূহ

অনুবাদ: মোহাম্মাদ ইবরাহীম আবদুল হালীম  সম্পাদনা: ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া

আল্লাহ তাঁর সকল সৃষ্টিজীবের ইবাদত ও উপাসনা পাওয়ার মালিক, তিনি এককভাবে ইবাদাতের মালিক, তাঁর কোনো শরীক নেই এ স্বীকৃতি দেওয়া।

তাওহীদুল উলূহিয়্যার নামসমূহ: এ তাওহীদকে তাওহীদুল উলূহিয়্যাহ বা ইলাহিয়্যাহ বলা হয়। কারণ, একনিষ্ঠভাবে তা নিছক তা‘আল্লুহ (تأله) ওপর প্রতিষ্ঠিত। একক আল্লাহর জন্য অধিক ভালোবাসাকে তা‘আল্লুহ বলা হয়।

নিম্নে বর্ণিত নামগুলো তাওহীদুল উলূহিয়্যার নাম:

(ক) তাওহীদুল ইবাদাহ বা উবূদিয়্যাহ: কারণ, তা এক আল্লাহর জন্য ইবাদাত নির্ধারিত হওয়ার ওপর প্রতিষ্ঠিত।

(খ) তাওহীদুল ইরাদা: কারণ, তা আমলের দ্বারা আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনার ওপর প্রতিষ্ঠিত।

(গ) তাওহীদুল কাছদ: কারণ, তা এক আল্লাহর জন্য ইবাদাতকে একনিষ্ঠ অত্যাবশ্যক করে এমন ঐকান্তিক ইচ্ছার ওপর প্রতিষ্ঠিত।

(ঘ) তাওহীদুত ত্বলাব: কারণ, তা আল্লাহর কাছে একনিষ্ঠভাবে চাওয়ার ওপর প্রতিষ্ঠিত।

(ঙ) তাওহীদুল আমল: কারণ, তা আল্লাহ তা‘আলার জন্য আমলকে একনিষ্ঠ করার ওপর প্রতিষ্ঠিত।

প্রথম রুকন: ‘‘আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল’’ এ সাক্ষ্য দেওয়া

১- আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই এ সাক্ষ্য দানের অর্থ
২- কালেমায়ে তাওহীদ-এর শর্তসমূহ
তাওহীদুল উলূহিয়্যাহ-এর সংজ্ঞা
‘তাওহীদুল উলুহিয়্যা’-এর হুকুম বা বিধান
৩- মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল এ সাক্ষ্য দানের অর্থ
৪- সাক্ষ্যদ্বয়ের ফযীলত

ব্লগ সাইটটি যদি আপনার মনের কোথাও একটুও যায়গা করে নেয় বা ভালো লেগে থাকে। তাহলে আপনিও ব্লগের কার্যক্রম কে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে আপনার লেখণী পাঠাতে পারেন।আপনার লেখনী পাঠিয়ে আমাদের ফেচবুক পেজের ম্যাসেঞ্জারে গিয়ে দয়াকরে নক করুন।
নিচে মন্তব্যের ঘরে আপনাদের মতামত জানান। ভালো লাগবে আপনাদের অভিপ্রায়গুলো জানতে পারলে। আর লেখা সম্পর্কিত কোন জিজ্ঞাসার উত্তর পেতে অবশ্যই “ওয়ার্ডপ্রেস থেকে কমেন্ট করুন”।

আপনার মন্তব্য লিখুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য লিখুন !
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন