রাসূলের একাধিক বিবাহ

মূল:ইসলামের রুকনসমূহ

অনুবাদ: মোহাম্মাদ ইবরাহীম আবদুল হালীম  সম্পাদনা: ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া

কালেমায়ে তাওহীদ-এর অনেক ফযীলত রয়েছে, যা কুরআন হাদীসে বর্ণনা করা হয়েছে, তার কিছু ফযীলত নিম্নে বর্ণিত হলো:

(ক) এটি ইসলামের প্রথম স্তম্ভ, দীনের মূল, মিল্লাতের ভিত্তি। এর দ্বারাই বান্দা সর্বপ্রথম ইসলামে প্রবেশ করে। এর বাস্তবায়নের জন্যই আসমান জমিনের সৃষ্টি।

(খ) এটি জান-মাল হিফাযতের কারণ। যে ব্যক্তি এটি উচ্চারণ করবে তার জান-মাল হিফাযতের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

(গ) সাধারণভাবে এটি সর্ব উত্তম আমল, অধিক পাপমোচনকারী, জান্নাতে প্রবেশ ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির কারণ। যদি আসমান ও জমিন এক পাল্লায় রাখা হয় আর লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ অপর পাল্লায় রাখা হয় তবে ‘‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’’ এর পাল্লা ঝুঁকে যাবে বা ভারী প্রমাণিত হবে।

তাই ইমাম মুসলিম সাহাবী উবাদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে মারফু‘ হাদীস বর্ণনা করেছেন,

«من شهد أن لا إله إلا الله وأن محمداً عبده ورسوله حرّم الله عليه النّار»

“যে ব্যক্তি এ সাক্ষ্য প্রদান করবে যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বান্দা ও রাসূল, আল্লাহ তার জন্য জাহান্নামকে হারাম করে দিবেন।”

(ঘ) আর তাতে যিকির, দো‘আ ও প্রশংসা সন্নিবেশিত রয়েছে। ইবাদাতের মাধ্যমে কৃত দো‘আ ও চাওয়ার জন্য কৃত দো‘আ উভয়টিই এর অন্তর্ভুক্ত। আর এ যিকির অধিক মাত্রায় পাওয়া যায় এবং এটি অতি সহজে অর্জন করা যায়। এটি পবিত্র কালেমা, দৃঢ় হাতল, কালেমাতুল ইখলাস, এর বাস্তবায়নের জন্য আসমান জমিনের সৃষ্টি। এর জন্যই সৃষ্টি জীবের সৃষ্টি, রাসূলগণের প্রেরণ, কিতাবসমূহের অবতীর্ণ, এরই পরিপূর্ণতার জন্য ফরয ও সুন্নাত প্রবর্তন হয়েছে। আর এরই জন্য জিহাদের তরবারী কোষমুক্ত করা হয়েছে।

অতঃপর যে ব্যক্তি এটি পাঠ করবে ও এর প্রতি আমল করবে সত্য জেনে, ইখলাসের সাথে, গ্রহণ করে ও মুহাব্বাতের সাথে, আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন, তার কর্ম যাই হউক না কেন।

প্রথম রুকন: ‘‘আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল’’ এ সাক্ষ্য দেওয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে নিচের আর্টকেল গুলো পড়ুন

১- আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই এ সাক্ষ্য দানের অর্থ
২- কালেমায়ে তাওহীদ-এর শর্তসমূহ
তাওহীদুল উলূহিয়্যাহ-এর সংজ্ঞা
‘তাওহীদুল উলুহিয়্যা’-এর হুকুম বা বিধান
৩- মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল এ সাক্ষ্য দানের অর্থ
৪- সাক্ষ্যদ্বয়ের ফযীলত

ব্লগ সাইটটি যদি আপনার মনের কোথাও একটুও যায়গা করে নেয় বা ভালো লেগে থাকে। তাহলে আপনিও ব্লগের কার্যক্রম কে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে আপনার লেখণী পাঠাতে পারেন।আপনার লেখনী পাঠিয়ে আমাদের ফেচবুক পেজের ম্যাসেঞ্জারে গিয়ে দয়াকরে নক করুন।
নিচে মন্তব্যের ঘরে আপনাদের মতামত জানান। ভালো লাগবে আপনাদের অভিপ্রায়গুলো জানতে পারলে। আর লেখা সম্পর্কিত কোন জিজ্ঞাসার উত্তর পেতে অবশ্যই “ওয়ার্ডপ্রেস থেকে কমেন্ট করুন”।

আপনার মন্তব্য লিখুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য লিখুন !
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন