মূল:ঈমানের রুকনসমূহ অনুবাদ: মোহাম্মাদ ইবরাহীম আবদুল হালীম  সম্পাদনা: ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া ঈমানের রুকনসমূহ হচ্ছে, আল্লাহ তা‘আলা, তাঁর ফিরিশতাদের, কিতাবসমূহের, রাসূলগণের, শেষ দিবসের এবং তাকদীরের ভালো মন্দের ওপর ঈমান আনা। এ প্রসংগে আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ﴿وَلَٰكِنَّ ٱلۡبِرَّ مَنۡ ءَامَنَ بِٱللَّهِ وَٱلۡيَوۡمِ ٱلۡأٓخِرِ وَٱلۡمَلَٰٓئِكَةِ وَٱلۡكِتَٰبِ وَٱلنَّبِيِّ‍ۧنَ﴾ “বরং প্রকৃতপক্ষে সৎকাজ হলো, যে ঈমান আনবে...
মূল:ইসলামের রুকনসমূহ অনুবাদ: মোহাম্মাদ ইবরাহীম আবদুল হালীম  সম্পাদনা: ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া ১- হজের সংজ্ঞা: হজের শাব্দিক অর্থ: ইচ্ছা করা। আরবী ভাষায় বলা হয়, অমুকে আমাদের নিকট হজ করেছে। অর্থাৎ সে আমাদের নিকট আসার ইচ্ছা করেছে ও আমাদের নিকট এসেছে। হজের পারিভাষিক অর্থ: নির্ধারিত শর্তসহ নির্দিষ্ট সময়ে বিশেষ পদ্ধতিতে ইবাদাত করার জন্য...
মূল:ইসলামের রুকনসমূহ অনুবাদ: মোহাম্মাদ ইবরাহীম আবদুল হালীম  সম্পাদনা: ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া ১- সিয়াম এর সংজ্ঞা: সিয়ামের শাব্দিক অর্থ: বিরত থাকা। পারিভাষিক অর্থ: সুবহে সাদিক উদিত হওয়ার পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সকল প্রকার সাওম ভঙ্গের কারণ থেকে বিরত থাকা। ২- রামাদান মাসের সিয়াম পালনের বিধান: ইসলামের রুকনসমূহের অন্যতম একটি রুকন ও তার মহান...
মূল:ইসলামের রুকনসমূহ অনুবাদ: মোহাম্মাদ ইবরাহীম আবদুল হালীম  সম্পাদনা: ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া সালাত ইবাদাতসমূহের মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইবাদাত। এর ফরয হওয়ার দলীল অত্যন্ত সুস্পষ্ট, ইসলাম এ বিষয়ে খুব বেশি গুরুত্ব আরোপ করেছে। সুতরাং ইবাদাতসমূহে সালাতের ফযীলত ও তাৎপর্য কতটুকু তা বর্ণনা করেছে। আর তা বান্দা ও তার প্রভুর মাঝে সম্পর্কসৃষ্টিকারী,...
মূল:ইসলামের রুকনসমূহ অনুবাদ: মোহাম্মাদ ইবরাহীম আবদুল হালীম  সম্পাদনা: ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া ‘‘আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল’’ এ সাক্ষ্য দেওয়া এ দু’ সাক্ষ্য ইসলামে প্রবেশ পথ ও তার মহান স্তম্ভ। কোনো ব্যক্তি মুসলিম হতে পারবে না যতক্ষণ না সে এ দু’ সাক্ষ্য মুখে...
মূল:ইসলামের রুকনসমূহ অনুবাদ: মোহাম্মাদ ইবরাহীম আবদুল হালীম  সম্পাদনা: ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া (১) ইতিবাচক ও নেতিবাচক অর্থ জানা, যা না জানার বিপরীত। নেতিবাচক হলো, আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো জন্য ইবাদাত সাব্যস্ত না করা। আর ইতিবাচক হলো ইবাদাত এককভাবে তাঁর জন্য সাব্যস্ত করা। তাঁর কোনো অংশীদার নেই, তিনিই একমাত্র ইবাদাতের মালিক ও...
মূল:ইসলামের রুকনসমূহ অনুবাদ: মোহাম্মাদ ইবরাহীম আবদুল হালীম  সম্পাদনা: ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া আল্লাহ তাঁর সকল সৃষ্টিজীবের ইবাদত ও উপাসনা পাওয়ার মালিক, তিনি এককভাবে ইবাদাতের মালিক, তাঁর কোনো শরীক নেই এ স্বীকৃতি দেওয়া। তাওহীদুল উলূহিয়্যার নামসমূহ: এ তাওহীদকে তাওহীদুল উলূহিয়্যাহ বা ইলাহিয়্যাহ বলা হয়। কারণ, একনিষ্ঠভাবে তা নিছক তা‘আল্লুহ (تأله) ওপর প্রতিষ্ঠিত।...
মূল:ইসলামের রুকনসমূহ অনুবাদ: মোহাম্মাদ ইবরাহীম আবদুল হালীম  সম্পাদনা: ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া তাওহীদুল উলুহিয়্যাহ সকল বান্দার ওপর ফরয। বান্দারা কেবল এর দ্বারাই ইসলামে প্রবেশ করে। আর এর প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস ও আমল করলেই জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাবে। প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির ওপর এ বিশ্বাস এবং এ মোতাবেক আমল করা সর্বপ্রথম ফরয। ...
মূল:ইসলামের রুকনসমূহ অনুবাদ: মোহাম্মাদ ইবরাহীম আবদুল হালীম  সম্পাদনা: ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া (ক) “নিশ্চয় মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল” এ সাক্ষ্য দানের অর্থ হলো, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা আদেশ করেছেন তা পালন করা, তিনি যে সব খবর দিয়েছেন তা সত্য বলে বিশ্বাস করা তিনি যে সব বিষয় সম্পর্কে...
মূল:ইসলামের রুকনসমূহ অনুবাদ: মোহাম্মাদ ইবরাহীম আবদুল হালীম  সম্পাদনা: ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া কালেমায়ে তাওহীদ-এর অনেক ফযীলত রয়েছে, যা কুরআন হাদীসে বর্ণনা করা হয়েছে, তার কিছু ফযীলত নিম্নে বর্ণিত হলো: (ক) এটি ইসলামের প্রথম স্তম্ভ, দীনের মূল, মিল্লাতের ভিত্তি। এর দ্বারাই বান্দা সর্বপ্রথম ইসলামে প্রবেশ করে। এর বাস্তবায়নের জন্যই আসমান জমিনের সৃষ্টি। (খ)...

আর্কাইভ